গোটা বিশ্ব যখন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, আর ঠিক তখনই একদল অন্ধ ব্যক্তি বিজ্ঞানের দান করা প্রযুক্তিকে ভিক্ষুকের মত নির্লজ্ব ভাবে অপব্যবহার করে, বিশ্বকে হাজার বছরের পিছনে নিয়ে যেতে সদা ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছে, ধিক ওদের বিচ্যুত হয়ে যাওয়া ভ্রান্তিক জ্ঞানকে।জয় হোক ন্যায় , নিতী , নৈতিকতা ও মানবতার এগিয়ে চলুক বিশ্ব।জয় হোক নতুন প্রজন্মের।
কম্পিউটার / মোবাইল কোন জামাতের লোক আবিস্কার করে নাই যে, এটা তাদের বাপদাদার সম্পদ। ওরা বলেছে বিধর্মী/নাস্তিকদের পন্য বর্জন করতে, তা হলে তোরা আগে এই নেট ছেরে চলে যা। হায়রে অভাগা ছাগুদল, আফসোস হয় তোদের অযৌক্তিক কথায়, তোদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখে। বিশ্ব যখন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, আর ঠিক তখনই তোদের মত একদল অন্ধ ব্যক্তি বিজ্ঞানের দান করা প্রযুক্তিকে ভিক্ষুকের মত নির্লজ্ব ভাবে অপব্যবহার করে, বিশ্বকে হাজার বছরের পিছনে নিয়ে যেতে সদা ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছে, ধিক ওদের বিচ্যুত হয়ে যাওয়া ভ্রান্তিক জ্ঞানকে।জয় হোক ন্যায় , নিতী , নৈতিকতা ও মানবতার এগিয়ে চলুক বিশ্ব।জয় হোক নতুন প্রজন্মের।
যে ধর্ম সৃষ্টির প্রারম্ভে একরুপে ছিল আর আর যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে তার রুপেরও পরিবর্তন হতে থাকল, সেটা কি কখনো সার্বজনীন হতে পারে বা হওয়ার কোন যুক্তি আছে কি?
আমার মনুষ্য ধর্মই আমাকে নৈতিকতা শিক্ষা দিতে সক্ষম।এই ধর্মে কোন পারলৌকিক উপহারের মালা সাজিয়ে মিথ্যা কুহক সৃষ্টিকারী লোভ নেই।যেটা আছে সেটা হল বিবেক নামক এক অতিন্দ্রিয় যার তাড়না থাকে প্রতিমুহূর্তের অনুরণনে।নেই পাপ পুণ্যের দর কশাকশির সমীকরণ,আছে একটি সরলরেখা -যার নাম মানবিকতা এবং এই ধর্মের কাছে মানুষই আরাধ্য।ভ্রান্তির পরিবর্তে আছে যুক্তির শাণিত বোধ।সেই বোধ হচ্ছে শুভবোধ ,যুক্তিকাষ্ঠের বিশ্লেষণে জন্ম নেয়া বোধ! -আশরাফুল ইসলাম পিয়াস
আসলে জ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তর বা চূড়ান্ত ধাপ অর্জন করা অসম্ভব। যেই তত্ত্বটা আজকে আপনার কাছে চূড়ান্ত বলে মনে হবে সেটা কালকে যথার্থ বলে প্রমাণিত নাও হতে পারে । বিজ্ঞানের কাজটা এখানেই । যথার্থ তত্ত্ব গ্রহণে বিজ্ঞান যে প্রক্রিয়া প্রয়োগ করে সেটা হল পরিবর্তন আর বিকাশ । যত সময় যাবে বিজ্ঞান আমাদের জ্ঞানকে বিকাশিত করবে । গ্রীক চিকিৎসা শাস্ত্রের দার্শনিক অল্কমিয়ন এ বিষয়টা প্রথম উপস্থাপন করেন । তিনি মানতেন যে সত্যজ্ঞান আছে । কিন্তু আমরা সেই সত্যজ্ঞান বা জ্ঞানের চূড়ান্ত ধাপ কখনোই লাভ করতে পারবো না । নিজেদের অভিজ্ঞতাসমূহ বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেটার কাছাকাছি যেতে পারবো । একেবারে সংশয়হীন পরম সত্য(Absolute Reality) জানা সম্ভব নয় । এটাকেই বলা হয় জ্ঞানের অসম্ভাব্যতা ।
নাসরিন জাহান ববি''চিত্রে বাংলাদেশ অসাধারণ একটা চিত্রে পুরু ১৯৫২ থেকে একটা বাংলাদেশ কি করে চড়াই উতরাই পার করে পূর্নাঙ্গ একটা স্বাধীন দেশ পেল সেটার পুরু ক্লিপ্স,সেই সাথে থাই পেয়েছে শাহবাগ যে আবার জেগেছে মায়ের কলঙ্ক মুছতে তাও ,তাতে বুঝা গেল যে জাতি এত বঞ্চনার বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করতে পারে সে জাতি দেরী তে হলেও অপমান ভুলবে না,,,এত সহজে ক্ষমা পাবা এটা ভাইব না তুমরা নর পশুর দল।তুদের এই মাটিতে ঠাই নাই,জীবন যাবে যাক, তদের নির্মমভাবে শাস্তি দিয়েই বাংলার মাটি কলঙ্ক মুক্ত করব জয় বাংলা।আর এই অসাধারণ একটা চিত্রের পুরু ক্লিপ্স এর জন্য ''নাসরিন জাহান ববি'' কে আমার নতশিরে সালাম,জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। — with Kharshur HIGH School(খারশুর উচ্চ বিদ্যালয় )
জ. ই মামুন ভাইর সাথে একাত্ততা ঘোষনা করে বলছি, "এখন থেকে যদি আর কেউ শাহবাগে না-ও যায়, যদি ভেঙ্গেও ফেলা হয় ওই "মঞ্চ- ফঞ্চ" তবু থামবে না চেতনার এই স্ফূরণ" হাতে আছে মাওচ আর কি বোর্ড, আর এটাই আমাদের মঞ্চ। বুকের ভেতর জ্বলছে আগুণ, সারা বাংলায় ছড়িয়ে দাও...
এমন একটা স্লোগান ছিলো শাহবাগে, আন্দোলনের শুরুর দিকে। কিন্তু সে আগুণ যে এত অল্প সময়ে বাংলা তো বাংলা, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যাবে তা হয়ত কেউ ভাবেননি। সে আগুণে এখন পুড়ছে কারো সিংহাসন, কারো স্বপ্ন, কারো হৃদয় আর কারোবা শাড়ির আঁচল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনীতিকরা ২০ বছরে যা পারেননি, শাহবাগ তা করে দিয়েছে প্রথম ১০ দিনেই। এখন ২ বছরের শিশুও জানে রাজাকার কি, জয় বাংলা কি আর মুক্তিযুদ্ধ কি।
৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামাত এবং তাদের দোসররা এই প্রথম এমন কঠিন নৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী। তাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় আতংকের নাম শাহবাগ, সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষের নাম শাহবাগ, সবচেয়ে বেশি বিষোদ্গার শাহবাগ নিয়ে।
কিন্তু শাহবাগ আর যাদুঘরের সামনের রাস্তায় সীমিত নেই, ছড়িয়ে গেছে নতুন প্রজন্মের মননে। এখন থেকে যদি আর কেউ শাহবাগে না-ও যায়, যদি ভেঙ্গেও ফেলা হয় ওই "মঞ্চ- ফঞ্চ" তবু থামবে না চেতনার এই স্ফূরণ।
প্রাণের সহযোদ্ধারা। যারা প্রথম দিন থেকে জীবন বাজি রেখে জামাত-শিবির-রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করে সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে পাশে আছেন, তাদের বলছি। দেশ-মাতা তার ক্রান্তিলগ্নে তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে বেছে নেয়। আপনি আমি আমরা সবাই সেই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একজন। এই কথা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করুন। আশে পাশে সুবিধাবাদী ও প্রতিক্রিয়াশীলরা অনেক রকম কথা বলবে, আমাদের মনোবল ভেঙ্গে দিতে চাইবে, তাদেরকে অগ্রাহ্য করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা অহিংস আন্দোলন করছি, তার মানে এই না যে আমরা রক্ত মাংসের মানুষ না। আমরা এখানে মৌনব্রত বা ধ্যান করতে আসিনি। আমরা এসেছি ৪২ বছরের জমে থাকা জঞ্জাল দূর করতে। তাই সময়ের প্রয়োজনে যে কোন অবস্থান নিতে আমরা কুন্ঠাবোধ করবোনা। একতার শক্তি আর চেতনার দৃপ্ত শপথ আমাদের নিয়ে যাবে অনিবার্য বিজয়ের দিকে। বিশ্বাস রাখুন, সংকল্পে অটুট থাকুন। জয় আমাদের হবেই।
আমাকে ৫০,০০০ জন বা ততোধিক জ্ঞানী নাস্তিক দাও তাদের জ্ঞানের ভিত দিয়ে একটি স্বর্গ রাজ্য রচনা করে দেব, কিন্তু জ্ঞানপাপীদের দ্বারা নরক রাজ্য প্রতিষ্ঠাও সম্ভব হবেনা।
গনজাগরণ মঞ্চের আজ ৩৪ দিন। ইতিহাসে এমন দীর্ঘতম আন্দোলন হয়েছে কিনা আমার জানা নাই। পৃথিবীতে এই ৩৪ দিনে নানা ঘটনা ঘটে গেছে। কিন্তু কোন ঘটনাই আমাদেরকে স্পর্শ করতে পারেনি এই ৩৪ দিনে যতটুকু স্পর্শ্ব করতে পেরেছে গানজাগরণ মঞ্চ। কারো পারিবারিক , সামাজিক , ব্যক্তিগত , চাকুরী সবকিছুকে ছাপিয়ে চোখের সামনে শুধুই গনজাগরণ মঞ্চের যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই।
শেখ হাসিনাকে আগামীকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণজাগরন মঞ্চের সমাবেশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমন্ত্রণ জানাচ্ছি খালেদা জিয়াকেও, জামাত শিবিরের সকল নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে হরতাল তুলে নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চে যোগ দিন। দেশের জন্য আর একবার একত্রিত হই আমরা সবাই। জয় বাংলা।
মৃত্যু অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। তাই মৃত্যুকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করার সাহস আমার আছে বলেই মনে করি। ধর্মান্ধ মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে গত কয়েকবছর ধরেই লিখে যাচ্ছি অবিরাম, এই যুদ্ধে অনেক প্রিয় বন্ধু পেয়েছি, অনেক শত্রুও তৈরি হয়েছে স্বাভাবিকভাবেই। আদর্শিক শত্রু, ব্যক্তিগত শত্রু থেকে শুরু করে অনেক মানুষের প্রতিহিংসার শিকার হওয়াটাও আমার কাছে এত গুরুত্বপুর্ণ বিষয় নয়। সমালোচনাকে গ্রহণ করি, প্রত্যেকের বাক-স্বাধীনতাকে সম্মান করি বিধায় ফেসবুক-ব্লগে জামাত শিবির হিজবুত তাহরির থেকে শুরু করে আমাকে গালিদাতা এবং মৃত্যু হুমকিদাতাদেরকেও ব্লক করি না। কারণ আমি মনে করি মানুষের চিন্তাশীলতার দরজাগুলো কখনও বন্ধ করে দেয়া যাবে না। এমনকি আমাকে যারা হত্যা করতে চেয়েছিল, আমাকে যারা নানাভাবে আক্রমন করেছে, তাদের প্রতিও আমার কোন বিদ্বেষ নেই। কারণ তারা জানে না তারা কী করছে। তাদেরকে এভাবেই শেখানো হয়েছে, মগজ ধোলাই করা হয়েছে, তাদেরকে হত্যা করার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাদের শিক্ষাব্যবস্থা এবং মগজধোলাইয়ের প্রক্রিয়া যেদিন বন্ধ হবে, সেদিনই আমি ভাববো আমার উপরে আক্রমনের বিচার হয়েছে। এই যুদ্ধে কতক্ষণ টিকে থাকবো জানি না। কিন্তু একটাই অনুরোধ থাকবে, মৃত্যুর পরে অনুগ্রহ করে আমাকে ধর্ম অন্তপ্রাণ অথবা প্রাচীন বা মধ্যযুগীয় কুসংস্কার সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল বলে প্রচার প্রচারণা কেউ চালাবেন না। আমি আমার পুরোটা জীবন ব্যয় করেছি এসবের বিরুদ্ধে যুদ্ধে, মৃত্যুর পরে আমি সেগুলোর কাছে পরাজিত হতে চাই না। আমি চাই না আমার কোন জানাজা হোক। আমার জানাজার হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি বরঞ্চ আমাকে আরো ছোট করে ফেলবে। আমি জাতীয় বীর হতে চাই নি, জনপ্রিয় হবার ইচ্ছা আমার নেই। আমি আমার নিজের নীতি আদর্শ নিয়ে বেঁচে আছি এবং সেগুলো নিয়েই মৃত্যুবরণ করতে চাই। আমি যেমন, আমি সেটাই; দোষেগুণে পরিপুর্ণ একজন সাধারণ মানুষ, যে চিন্তা করতে শিখেছে। বাড়তি বিশেষণ বা নানা ধরণের শব্দ ব্যবহার করে আমার মৃত্যুর পরে আমাকে মহান বানাবার কোন প্রয়োজন নেই। আমার মরদেহ কোন মেডিকেল কলেজে দেয়া হবে, আমার চোখ থেকে শুরু করে সমস্ত অঙ্গপ্রতঙ্গ মানব কল্যানে ব্যবহৃত হবে। আমার চোখ দিয়ে আরেকজন অন্ধ মানুষ পৃথিবীর রঙ রুপ দেখবে, এর চাইতে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না। আমার কিডনি থেকে শুরু করে যা কিছুই ব্যবহার যোগ্য হবে, সেগুলো কোন অসুস্থ মানুষকে দিয়ে দেয়া হবে। আমার বাকিটা শরীর মেডিকেল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা নিয়ে গবেষণা করবে, যেন তারা মানবদেহ এবং অস্ত্রপাচার সম্পর্কে আরো অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।
স্বর্গ নরকে বিশ্বাসী নই, এই পৃথিবীই আমার সবকিছু, এই দেশের মাটিই আমার ঠিকানা। যেই যুদ্ধ শুরু করেছিলাম আমরা সবাই মিলে, সেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে, ভয় পেলে চলবে না। জয় আমাদের হবেই।
আজকে মুসলমানদের যে দীনতা চলছে তা বহুমুখী: শিক্ষা ও সাংস্কৃতির দীনতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দীনতা, ধন সম্পদের দীনতা ও মনন এবং মানবতার দীনতা । পৃথিবীর প্রায় এক পঞ্চমাংশ মুসলিম হলেও এদের মাঝে বিজ্ঞানের সংখ্যা ১ শতাংশেরও কম। আরো দুর্ভ্যাগ্য যে মুসলিম বিশ্বে যত বিজ্ঞানী আছে তার দ্বিগুন সংখ্যক বিজ্ঞানী আছে ইসরাইলে। হতাশার এই বাস্তব চিত্রটি তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ডঃ পারভেজ হুদবাই, যারা বিশ্বের পরিবর্তন ও উন্নতির খবর রাখেন।শিক্ষা, জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে মুসলিম দেশ গুলোকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে ভিয়েতনাম ও তাইওয়ানের মত দেশ গুলোও। একটি পরিসংখ্যান খেয়াল করলেই এর বাস্তব চিত্রটি বুঝতে পারবেন: বই বিক্রির ভিত্তিতে জাতীসংঘের সাতটি দেশের তালিকায় কোন মুসলিম দেশের নাম নেই। আর এর প্রধান কারন মুসলিমদের কট্টর মেৌলবাদ মনোভাবই।
গোটা বিশ্ব যখন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, আর ঠিক তখনই একদল অন্ধ ব্যক্তি বিজ্ঞানের দান করা প্রযুক্তিকে ভিক্ষুকের মত নির্লজ্ব ভাবে অপব্যবহার করে, বিশ্বকে হাজার বছরের পিছনে নিয়ে যেতে সদা ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছে, ধিক ওদের বিচ্যুত হয়ে যাওয়া ভ্রান্তিক জ্ঞানকে।জয় হোক ন্যায় , নিতী , নৈতিকতা ও মানবতার এগিয়ে চলুক বিশ্ব।জয় হোক নতুন প্রজন্মের।
উত্তরমুছুনকম্পিউটার / মোবাইল কোন জামাতের লোক আবিস্কার করে নাই যে, এটা তাদের বাপদাদার সম্পদ। ওরা বলেছে বিধর্মী/নাস্তিকদের পন্য বর্জন করতে, তা হলে তোরা আগে এই নেট ছেরে চলে যা। হায়রে অভাগা ছাগুদল, আফসোস হয় তোদের অযৌক্তিক কথায়, তোদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখে। বিশ্ব যখন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, আর ঠিক তখনই তোদের মত একদল অন্ধ ব্যক্তি বিজ্ঞানের দান করা প্রযুক্তিকে ভিক্ষুকের মত নির্লজ্ব ভাবে অপব্যবহার করে, বিশ্বকে হাজার বছরের পিছনে নিয়ে যেতে সদা ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছে, ধিক ওদের বিচ্যুত হয়ে যাওয়া ভ্রান্তিক জ্ঞানকে।জয় হোক ন্যায় , নিতী , নৈতিকতা ও মানবতার এগিয়ে চলুক বিশ্ব।জয় হোক নতুন প্রজন্মের।
উত্তরমুছুনযে ধর্ম সৃষ্টির প্রারম্ভে একরুপে ছিল আর আর যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে তার রুপেরও পরিবর্তন হতে থাকল, সেটা কি কখনো সার্বজনীন হতে পারে বা হওয়ার কোন যুক্তি আছে কি?
উত্তরমুছুনআমার মনুষ্য ধর্মই
উত্তরমুছুনআমাকে নৈতিকতা শিক্ষা দিতে সক্ষম।এই
ধর্মে কোন পারলৌকিক উপহারের
মালা সাজিয়ে মিথ্যা কুহক সৃষ্টিকারী লোভ
নেই।যেটা আছে সেটা হল বিবেক নামক এক
অতিন্দ্রিয় যার তাড়না থাকে প্রতিমুহূর্তের অনুরণনে।নেই পাপ পুণ্যের দর কশাকশির
সমীকরণ,আছে একটি সরলরেখা -যার নাম
মানবিকতা এবং এই ধর্মের কাছে মানুষই
আরাধ্য।ভ্রান্তির পরিবর্তে আছে যুক্তির শাণিত
বোধ।সেই বোধ হচ্ছে শুভবোধ ,যুক্তিকাষ্ঠের
বিশ্লেষণে জন্ম নেয়া বোধ!
-আশরাফুল ইসলাম পিয়াস
আসলে জ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তর বা চূড়ান্ত ধাপ অর্জন করা অসম্ভব। যেই তত্ত্বটা আজকে আপনার কাছে চূড়ান্ত বলে মনে হবে সেটা কালকে যথার্থ বলে প্রমাণিত নাও হতে পারে । বিজ্ঞানের কাজটা এখানেই । যথার্থ তত্ত্ব গ্রহণে বিজ্ঞান যে প্রক্রিয়া প্রয়োগ করে সেটা হল পরিবর্তন আর বিকাশ । যত সময় যাবে বিজ্ঞান আমাদের জ্ঞানকে বিকাশিত করবে ।
উত্তরমুছুনগ্রীক চিকিৎসা শাস্ত্রের দার্শনিক অল্কমিয়ন এ বিষয়টা প্রথম উপস্থাপন করেন । তিনি মানতেন যে সত্যজ্ঞান আছে । কিন্তু আমরা সেই সত্যজ্ঞান বা জ্ঞানের চূড়ান্ত ধাপ কখনোই লাভ করতে পারবো না । নিজেদের অভিজ্ঞতাসমূহ বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেটার কাছাকাছি যেতে পারবো । একেবারে সংশয়হীন পরম সত্য(Absolute Reality) জানা সম্ভব নয় । এটাকেই বলা হয় জ্ঞানের অসম্ভাব্যতা ।
নাসরিন জাহান ববি''চিত্রে বাংলাদেশ
উত্তরমুছুনঅসাধারণ একটা চিত্রে পুরু ১৯৫২ থেকে একটা বাংলাদেশ কি করে চড়াই উতরাই পার করে পূর্নাঙ্গ একটা স্বাধীন দেশ পেল সেটার পুরু ক্লিপ্স,সেই সাথে থাই পেয়েছে শাহবাগ যে আবার জেগেছে মায়ের কলঙ্ক মুছতে তাও ,তাতে বুঝা গেল যে জাতি এত বঞ্চনার বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করতে পারে সে জাতি দেরী তে হলেও অপমান ভুলবে না,,,এত সহজে ক্ষমা পাবা এটা ভাইব না তুমরা নর পশুর দল।তুদের এই মাটিতে ঠাই নাই,জীবন যাবে যাক, তদের নির্মমভাবে শাস্তি দিয়েই বাংলার মাটি কলঙ্ক মুক্ত করব জয় বাংলা।আর এই অসাধারণ একটা চিত্রের পুরু ক্লিপ্স এর জন্য ''নাসরিন জাহান ববি'' কে আমার নতশিরে সালাম,জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। — with Kharshur HIGH School(খারশুর উচ্চ বিদ্যালয় )
জ. ই মামুন ভাইর সাথে একাত্ততা ঘোষনা করে বলছি, "এখন থেকে যদি আর কেউ শাহবাগে না-ও যায়, যদি ভেঙ্গেও ফেলা হয় ওই "মঞ্চ- ফঞ্চ" তবু থামবে না চেতনার এই স্ফূরণ" হাতে আছে মাওচ আর কি বোর্ড, আর এটাই আমাদের মঞ্চ।
উত্তরমুছুনবুকের ভেতর জ্বলছে আগুণ, সারা বাংলায় ছড়িয়ে দাও...
এমন একটা স্লোগান ছিলো শাহবাগে, আন্দোলনের শুরুর দিকে। কিন্তু সে আগুণ যে এত অল্প সময়ে বাংলা তো বাংলা, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যাবে তা হয়ত কেউ ভাবেননি। সে আগুণে এখন পুড়ছে কারো সিংহাসন, কারো স্বপ্ন, কারো হৃদয় আর কারোবা শাড়ির আঁচল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনীতিকরা ২০ বছরে যা পারেননি, শাহবাগ তা করে দিয়েছে প্রথম ১০ দিনেই। এখন ২ বছরের শিশুও জানে রাজাকার কি, জয় বাংলা কি আর মুক্তিযুদ্ধ কি।
৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামাত এবং তাদের দোসররা এই প্রথম এমন কঠিন নৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী। তাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় আতংকের নাম শাহবাগ, সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষের নাম শাহবাগ, সবচেয়ে বেশি বিষোদ্গার শাহবাগ নিয়ে।
কিন্তু শাহবাগ আর যাদুঘরের সামনের রাস্তায় সীমিত নেই, ছড়িয়ে গেছে নতুন প্রজন্মের মননে। এখন থেকে যদি আর কেউ শাহবাগে না-ও যায়, যদি ভেঙ্গেও ফেলা হয় ওই "মঞ্চ- ফঞ্চ" তবু থামবে না চেতনার এই স্ফূরণ।
প্রাণের সহযোদ্ধারা।
উত্তরমুছুনযারা প্রথম দিন থেকে জীবন বাজি রেখে জামাত-শিবির-রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করে সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে পাশে আছেন, তাদের বলছি। দেশ-মাতা তার ক্রান্তিলগ্নে তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে বেছে নেয়। আপনি আমি আমরা সবাই সেই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একজন। এই কথা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করুন। আশে পাশে সুবিধাবাদী ও প্রতিক্রিয়াশীলরা অনেক রকম কথা বলবে, আমাদের মনোবল ভেঙ্গে দিতে চাইবে, তাদেরকে অগ্রাহ্য করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা অহিংস আন্দোলন করছি, তার মানে এই না যে আমরা রক্ত মাংসের মানুষ না। আমরা এখানে মৌনব্রত বা ধ্যান করতে আসিনি। আমরা এসেছি ৪২ বছরের জমে থাকা জঞ্জাল দূর করতে। তাই সময়ের প্রয়োজনে যে কোন অবস্থান নিতে আমরা কুন্ঠাবোধ করবোনা। একতার শক্তি আর চেতনার দৃপ্ত শপথ আমাদের নিয়ে যাবে অনিবার্য বিজয়ের দিকে। বিশ্বাস রাখুন, সংকল্পে অটুট থাকুন। জয় আমাদের হবেই।
আমাকে ৫০,০০০ জন বা ততোধিক জ্ঞানী নাস্তিক দাও তাদের জ্ঞানের ভিত দিয়ে একটি স্বর্গ রাজ্য রচনা করে দেব, কিন্তু জ্ঞানপাপীদের দ্বারা নরক রাজ্য প্রতিষ্ঠাও সম্ভব হবেনা।
উত্তরমুছুনগনজাগরণ মঞ্চের আজ ৩৪ দিন। ইতিহাসে এমন দীর্ঘতম আন্দোলন হয়েছে কিনা আমার জানা নাই। পৃথিবীতে এই ৩৪ দিনে নানা ঘটনা ঘটে গেছে। কিন্তু কোন ঘটনাই আমাদেরকে স্পর্শ করতে পারেনি এই ৩৪ দিনে যতটুকু স্পর্শ্ব করতে পেরেছে গানজাগরণ মঞ্চ। কারো পারিবারিক , সামাজিক , ব্যক্তিগত , চাকুরী সবকিছুকে ছাপিয়ে চোখের সামনে শুধুই গনজাগরণ মঞ্চের যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই।
উত্তরমুছুনশেখ হাসিনাকে আগামীকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণজাগরন মঞ্চের সমাবেশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমন্ত্রণ জানাচ্ছি খালেদা জিয়াকেও, জামাত শিবিরের সকল নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে হরতাল তুলে নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চে যোগ দিন। দেশের জন্য আর একবার একত্রিত হই আমরা সবাই। জয় বাংলা।
উত্তরমুছুনমৃত্যু অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। তাই মৃত্যুকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করার সাহস আমার আছে বলেই মনে করি। ধর্মান্ধ মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে গত কয়েকবছর ধরেই লিখে যাচ্ছি অবিরাম, এই যুদ্ধে অনেক প্রিয় বন্ধু পেয়েছি, অনেক শত্রুও তৈরি হয়েছে স্বাভাবিকভাবেই। আদর্শিক শত্রু, ব্যক্তিগত শত্রু থেকে শুরু করে অনেক মানুষের প্রতিহিংসার শিকার হওয়াটাও আমার কাছে এত গুরুত্বপুর্ণ বিষয় নয়। সমালোচনাকে গ্রহণ করি, প্রত্যেকের বাক-স্বাধীনতাকে সম্মান করি বিধায় ফেসবুক-ব্লগে জামাত শিবির হিজবুত তাহরির থেকে শুরু করে আমাকে গালিদাতা এবং মৃত্যু হুমকিদাতাদেরকেও ব্লক করি না। কারণ আমি মনে করি মানুষের চিন্তাশীলতার দরজাগুলো কখনও বন্ধ করে দেয়া যাবে না। এমনকি আমাকে যারা হত্যা করতে চেয়েছিল, আমাকে যারা নানাভাবে আক্রমন করেছে, তাদের প্রতিও আমার কোন বিদ্বেষ নেই। কারণ তারা জানে না তারা কী করছে। তাদেরকে এভাবেই শেখানো হয়েছে, মগজ ধোলাই করা হয়েছে, তাদেরকে হত্যা করার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাদের শিক্ষাব্যবস্থা এবং মগজধোলাইয়ের প্রক্রিয়া যেদিন বন্ধ হবে, সেদিনই আমি ভাববো আমার উপরে আক্রমনের বিচার হয়েছে।
উত্তরমুছুনএই যুদ্ধে কতক্ষণ টিকে থাকবো জানি না। কিন্তু একটাই অনুরোধ থাকবে, মৃত্যুর পরে অনুগ্রহ করে আমাকে ধর্ম অন্তপ্রাণ অথবা প্রাচীন বা মধ্যযুগীয় কুসংস্কার সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল বলে প্রচার প্রচারণা কেউ চালাবেন না। আমি আমার পুরোটা জীবন ব্যয় করেছি এসবের বিরুদ্ধে যুদ্ধে, মৃত্যুর পরে আমি সেগুলোর কাছে পরাজিত হতে চাই না।
আমি চাই না আমার কোন জানাজা হোক। আমার জানাজার হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি বরঞ্চ আমাকে আরো ছোট করে ফেলবে। আমি জাতীয় বীর হতে চাই নি, জনপ্রিয় হবার ইচ্ছা আমার নেই। আমি আমার নিজের নীতি আদর্শ নিয়ে বেঁচে আছি এবং সেগুলো নিয়েই মৃত্যুবরণ করতে চাই। আমি যেমন, আমি সেটাই; দোষেগুণে পরিপুর্ণ একজন সাধারণ মানুষ, যে চিন্তা করতে শিখেছে। বাড়তি বিশেষণ বা নানা ধরণের শব্দ ব্যবহার করে আমার মৃত্যুর পরে আমাকে মহান বানাবার কোন প্রয়োজন নেই। আমার মরদেহ কোন মেডিকেল কলেজে দেয়া হবে, আমার চোখ থেকে শুরু করে সমস্ত অঙ্গপ্রতঙ্গ মানব কল্যানে ব্যবহৃত হবে। আমার চোখ দিয়ে আরেকজন অন্ধ মানুষ পৃথিবীর রঙ রুপ দেখবে, এর চাইতে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না। আমার কিডনি থেকে শুরু করে যা কিছুই ব্যবহার যোগ্য হবে, সেগুলো কোন অসুস্থ মানুষকে দিয়ে দেয়া হবে। আমার বাকিটা শরীর মেডিকেল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা নিয়ে গবেষণা করবে, যেন তারা মানবদেহ এবং অস্ত্রপাচার সম্পর্কে আরো অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।
স্বর্গ নরকে বিশ্বাসী নই, এই পৃথিবীই আমার সবকিছু, এই দেশের মাটিই আমার ঠিকানা। যেই যুদ্ধ শুরু করেছিলাম আমরা সবাই মিলে, সেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে, ভয় পেলে চলবে না। জয় আমাদের হবেই।
মানবতার ধর্ম বাদে যারা অন্য কোন বিশেষ ধর্ম নিয়ে চেচায় আসলে তাদের প্রকৃত জ্ঞান কতটুকু পর্যন্ত এগিয়েছে, সে বাল আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে ধরে না।
উত্তরমুছুনযারা বাড়ী বাড়ী হেটে হেটে পুজা করে এবং যারা মসজিদে ইমামতি করে পাড়ায় পাড়ায় দাওয়াত খায় , আর যাই হোক তাদের এই জ্ঞান থেকে বড় কিছু আশা করা যায় না।
উত্তরমুছুনআজকে মুসলমানদের যে দীনতা চলছে তা বহুমুখী: শিক্ষা ও সাংস্কৃতির দীনতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দীনতা, ধন সম্পদের দীনতা ও মনন এবং মানবতার দীনতা । পৃথিবীর প্রায় এক পঞ্চমাংশ মুসলিম হলেও এদের মাঝে বিজ্ঞানের সংখ্যা ১ শতাংশেরও কম। আরো দুর্ভ্যাগ্য যে মুসলিম বিশ্বে যত বিজ্ঞানী আছে তার দ্বিগুন সংখ্যক বিজ্ঞানী আছে ইসরাইলে। হতাশার এই বাস্তব চিত্রটি তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ডঃ পারভেজ হুদবাই, যারা বিশ্বের পরিবর্তন ও উন্নতির খবর রাখেন।শিক্ষা, জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে মুসলিম দেশ গুলোকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে ভিয়েতনাম ও তাইওয়ানের মত দেশ গুলোও। একটি পরিসংখ্যান খেয়াল করলেই এর বাস্তব চিত্রটি বুঝতে পারবেন: বই বিক্রির ভিত্তিতে জাতীসংঘের সাতটি দেশের তালিকায় কোন মুসলিম দেশের নাম নেই। আর এর প্রধান কারন মুসলিমদের কট্টর মেৌলবাদ মনোভাবই।
উত্তরমুছুন